Newsblows বাংলা

নিরপেক্ষ বাংলা খবর

বাংলাদেশ

কবি সোহেল হাসান গালিব কারাগারে


প্রকাশিত: ১৩:১৮, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫  

সোহেল হাসান গালিব


মহানবী হজরত মুহাম্মদকে (সা.) নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে কবি সোহেল হাসান গালিবকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালত রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নাকচ করে শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এ আদেশ দেন।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আদালতের অপরাধ ও প্রসিকিউশন বিভাগের সাধারণ নিবন্ধন শাখার সাব-ইন্সপেক্টর স্বপন কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সোহেল হাসান গালিবকে আদালতে হাজির করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিবি) কোতয়ালি জোনাল টিমের উপ-পরিদর্শক হুমায়ন কবীর। তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। কবি সোহেল হাসান গালিবের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

আদালত রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে সোহেল হাসান গালিবকে কারাগারে পাঠিয়ে আগামী সাত দিনের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

ডিবির আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি সোহেল হাসান গালিব (Sohel Hasan Galib) নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘তৌহিদি জনতা’ শিরোনামে একটি কবিতা পোস্ট করেন। এতে কিছু বিতর্কিত কথা রয়েছে।

পরবর্তী সময়ে আরো জানা যায়, সোহেল হাসান গালিবের লেখা ‘আমার খুতবাগুলি’ নামের একটি বই ‘উজান প্রকাশনী’ নামের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত হয়েছে। ওই বইয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো কবিতা ছাপা হয়েছে। তার লেখা বই শাহবাগ থানাধীন এলাকায় চলমান অমর একুশে বইমেলায় উজান প্রকাশনীর ৬২৩- ৬২৪ নং স্টলে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রিয় নবিজীর নামে প্রথমে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মানহানিকর পোস্ট ও বইয়ে এরূপ কবিতা থাকায় বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ মুসলিমের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এতে বইমেলাসহ দেশে যেকোনো স্থানে দাঙ্গা হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আসামির ফেসবুক অ্যাকাউন্টের বিষয়ে বিপুল সংখ্যক লোক রিপোর্ট করায় তা ডিঅ্যাকটিভ হয়। সোহেল হাসান গালিবের অপরাধের বিষয়টি জনসাধারণের মধ্যে ভাইরাল হওয়ায় তার সার্বিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। এমতাবস্থায় আসামির কর্মকাণ্ড ধর্তব্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে তাকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন সানারপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে কোন উদ্দেশ্যে কার প্ররোচনায় এরূপ অপরাধকর্ম সম্পাদন করেছে, তা জানা সম্ভব হবে বলে প্রতীয়মান হয়। এমতাবস্থায় তাকে ১০ দিনের পুলিশি রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

ঢাকা/মামুন/রফিক



LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *