Newsblows বাংলা

নিরপেক্ষ বাংলা খবর

স্থানীয

‘মা ফোন করে বলল, এসে দেখি সর্বনাশ!’ ভরসন্ধ্যায় বৃদ্ধাকে বেঁধে লুঠপাট নদিয়ায়, বাংলার মুখ

একেবারে হাড়হিম করা ঘটনা। ৭০ বছর বয়সি এক বৃদ্ধার হাত পা  বেঁধে দুঃসাহসিক লুঠপাট নদিয়ার কৃষ্ণনগরে। নদিয়ার কৃষ্ণনগর শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের রাইপাড়া স্টেশন রোড এলাকার ঘটনা। পরিবারের সদস্যদের দাবি, বৃদ্ধা বাড়িতে একলাই ছিলেন। সেই সুযোগে দুষ্কৃতীরা বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে। এরপর শুরু হয় লুঠপাট। বৃদ্ধাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে লুঠপাট চলতে থাকে। লক্ষাধিক টাকার সোনার গহনা লুঠপাট করা হয়। এরপর বাড়ি থেকে আসবাবপত্রও লুঠ করা হয়েছে। 

এদিকে বাড়়ি ফিরে আসার পরে পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পারেন বিরাট বিপদ হয়ে গিয়েছে। এরপর তারা কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায় জানান। পুলিশ এরপর তদন্তে নামে। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই ভয়াবহ লুঠের  ঘটনা হয়েছে। এদিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ওই বৃদ্ধার বাড়ি। সেখানে এইভাবে লুঠপাটের ঘটনাকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে। 

 ওই বাড়ির বউমা অন্তরা সাহা বলেন, আমি মেয়েকে নিয়ে গানের ক্লাসে বেরিয়েছিলাম। শাশুড়ি মা একাই থাকেন। তিনি ওপরে ঘুমোচ্ছিলেন। খানিকবাদে শাশুড়ি মা কাঁদতে কাঁদতে ফোন করেন। তিনি বলেন যে আমার হাত পা বেঁধে লুঠ করে পালিয়েছে। আমি এসে দেখি বাইরের দরজার তালা ছিল না। আমি খুলে দেখি মুখটা বাঁধা। তিন থেকে চার লাখ টাকার সোনার গহনা ছিল। সিআইডির দফতরের কাছে আমার বাড়ি। সন্দেহ কাউকে কিছু হচ্ছে না। তবে অত্যন্ত আতঙ্কিত। জানাশোনার মধ্য়ে খোঁজ খবর নিয়েই হয়তো হয়েছে। আনুমানিক ৫টা নাগাদ এটা হয়েছে। মার মুখটা বাঁধা ছিল। মা বললেন একজন এসেছিল। চিনতে পারেনি। আমাদের খুব ভয় লাগছে। আমি আমার মেয়ে ও আমার শাশুড়ি মা একলাই থাকি বাড়িতে। খুব ভয় লাগছে। আমার শাশুড়িকে মেরে ফেলতে পারত। 

গোটা ঘটনায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তা বোঝা যাচ্ছে না। আপাতত একজন এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। কোনও যুবক এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তবে পুলিশ ইতিমধ্য়েই তদন্ত শুরু করেছে। একজন ভেতরে অপারেশন চালিয়েছে আর বাকিরা কেউ পাহারায় ছিল কি না সেটা দেখা হচ্ছে। পরিচিত কেউ এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কি না সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *