Newsblows বাংলা

নিরপেক্ষ বাংলা খবর

ফ্যাশন

Check Security Features Indian Currency Bank Notes How To Check Fake Indian Rupee Notes Abpp


নয়াদিল্লি: ৫০০ টাকা কিংবা ২০০০ টাকার নোট নিয়ে ঠকেছেন ? বুঝতে পারেননি। তাহলে এবার তাঁদের জন্য রইল ৫০০ টাকা কিংবা ২০০০ টাকার নোট চেনার জন্য স্পষ্ট ধারণা। ৫০০ টাকা এবং ২০০০ টাকার নোট বিনিময়ের সময় ঠিক কোন কোন বিষয়গুলি নজরে রাখবেন, একবার জেনে যাক।

৫০০ টাকার নতুন নোট চিনবেন কী করে ? 

সবার আগে ৫০০ টাকার নোটটিকে বাল্বের আলোয় ধরুন। সামনের দিক বরাবর দেখতে পাবেন টাকার অঙ্ক লেখা রয়েছে ৫০০ । পাশাপাশি ৪৫ ডিগ্রি কোণ করে ধরলে টাকার অঙ্ক ৫০০ স্পষ্টভাবে দেখা যাবে। পাশাপাশি ভাল করে লক্ষ্য করে দেখুন, ওটি দেবনগরী হরফে লেখা রয়েছে কিনা, দেখতে পেলে এবার পরের ধাপে এগিয়ে যেতে পারেন। নোটের কেন্দ্রে মহত্মাগান্ধীর ছবি থাকবে। পাশাপাশি থাকবে সিকিউরিটি থ্রেড। নোট বেঁকিয়ে ধরলে রঙ সবুজ থেকে নীল হয়ে যাবে। এখানেই শেষ নয়, গ্যারান্টি ক্লোজ, গভর্নরের সই, ঋণপত্রের স্বীকৃতি থাকবে। পাশাপাশি থাকবে ডানদিক বরাবর RBI এমব্লেম। মহাত্মা গান্ধী এবং ইলেকট্রোটাইপ জলছবিতে ৫০০ দেখতে পাবেন। খেয়ালে রাখুন নম্বর প্যানেলও। যেখানে ছোট থেকে বড় হয়ে উঠবে নাম্বার। থাকবে অশোক স্তম্ভের ছবি। এবার ৫০০ টাকার পিছন দিকটায় খেয়াল করুন, দেখবেন ছাপা হয়েছে কত সালে সেটাও লেখা থাকবে। থাকবে লালকেল্লার ছবি। লেখা থাকবে লেখা থাকবে স্বচ্ছ ভারত লোগো এবং স্লোগান। কেন্দ্র বরাবর বিভিন্ন ভাষায় লেখা থাকবে নোটটি। 

৫০০ টাকার নোটে স্টার চিহ্ন ‘*’ থাকা নিয়ে বিভ্রান্তি

তবে এত কিছুর পরেও নকল ৫০০ টাকার (500 Rupee Note) নোট নিয়ে চিন্তা বেড়েছে দেশবাসীর। সামাজিক মাধ্যম (Social Media) ছাড়াও বাজারে এই নিয়ে চলছে জোর গুঞ্জন। মূলত, ৫০০ টাকার নোটে (Fake 500 Notes) বিশেষ চিহ্ণ দেখেই তাকে নকল বলে দেগে দিচ্ছে অনেকে। আপনার কাছে আছে নাকি এরকম বিশেষ চিহ্ণ দেওয়া ৫০০ টাকার নোট। মূলত ৫০০ টাকার নকল নোট নিয়ে বেশ কয়েকটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে। যেখানে বলা হয়েছে, বাজারে ছড়ানো হয়েছে নতুন তারা বা স্টার চিহ্ণের ৫০০ টাকার জাল নোট। সম্প্রতি ইনডাসইন্ড ব্যাঙ্ক থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এই টাকা। এগুলি পুরোপুরি জাল নোট। আজ আমার কাছেও কিছু গ্রাহক এই ধরনের ২-৩টি নোট নিয়ে এসেছিল। সকালের দিকে এই জাল নোটগুলি তারা অন্য কিছু লোকের থেকে পেয়েছে। তাই সতর্ক থাকো। এই ধরনের জাল নোট নিয়ে কিছু মানুষ বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

নতুন করে জাল ৫০০ টাকার নোটের খবর বাজারে !

নতুন করে জাল ৫০০ টাকার নোটের খবর বাজারে আসতেই প্রকৃত সত্যের খোঁজে নেমেছে প্রেস ইনফ্রমেশন ব্যুরো অর্থাৎ PIB। সম্প্রতি স্টার চিহ্ণ দেওয়া নকল ৫০০ টাকার নোট নিয়ে দেশবাসীকে বার্তা দিয়ে তাঁরা। ফ্যাক্ট চেকার বা প্রকৃত তথ্য় অনুসন্ধানকারী PIB জানিয়েছে, এই খবর পুরোপুরি ভুয়ো। তারা বা স্টার চিহ্ণ দেওয়া ৫০০ টাকার নোট আসল। বাজারে এই ধরনের যে নোটের লেনদেন হচ্ছে ,তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছুই নেই। ২০১৬ সাল থেকে দেশে এই তারা চিহ্ণ দেওয়া ৫০০ টাকার নোটের প্রচলন শুরু হয়। সামাজিক মাধ্যমে এই যুক্তির সপক্ষে একটি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের লিঙ্কও শেয়ার করেছে PIB। ২০১৬ সালে তারা চিহ্ণ দেওয়া ৫০০ টাকার নোট প্রকাশ করার আগে একটি প্রেস বিবৃতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। যেখানে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানায়,  শীঘ্রই মহাত্মা গাঁধীর (নতুন) সিরিজে 500 টাকার ব্যাঙ্কনোট ইস্যু করা হবে। যার উভয় নম্বর প্যানেলে ইনসেট অক্ষর ‘E’ সহ, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর ড. উর্জিত আর প্যাটেলের স্বাক্ষর থাকবে। মুদ্রণের বছর ‘2016’ এবং স্বচ্ছ ভারত লোগো ব্যাঙ্কনোটের উল্টোদিকে মুদ্রিত থাকবে।

উদ্বিগ্ন হবেন না, যেটা নজরে রাখবেন

কিছু ক্যাপশন করা ব্যাঙ্কনোটের নম্বর প্যানেলে উপসর্গ এবং নম্বরের মধ্যবর্তী স্থানে একটি অতিরিক্ত অক্ষর ‘*’ (তারকা) থাকবে। এই নোটগুলির প্যাকেটে যথারীতি 100 পিস থাকবে তবে সিরিয়াল ক্রমে থাকবে না এই নোট। ‘স্টার’ নোট সম্বলিত নোট প্যাকেটের সহজে সনাক্তকরণের সুবিধার্থে এই ধরনের প্যাকেটের ব্যান্ডগুলি প্যাকেটে এই নোটগুলির উপস্থিতি স্পষ্টভাবে নির্দেশ করবে। প্রথমবার ₹ 500 মূল্যের ‘স্টার’ ব্যাঙ্কনোট জারি করা হচ্ছে। ₹ 10, 20, 50 এবং 100 মূল্যের ‘স্টার’ ব্যাঙ্কনোট ইতিমধ্যেই প্রচলন রয়েছে। ‘স্টার’ ব্যাঙ্কনোট প্রবর্তনের যৌক্তিকতা এবং স্কিমটি 19 এপ্রিল, 2006 তারিখের প্রেস রিলিজ নং 2005-2006/1337-এ জানানো হয়েছিল।সেই থেকে 8 নভেম্বর, ২০১৬ থেকে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মহাত্মা গাঁধী (নতুন) সিরিজের সব ₹ 500 টাকার ব্যাঙ্কনোটগুলি আইনি টেন্ডার হিসাবে চলছে। তাই তারা চিহ্ণের ৫০০ টাকার নোট আসল। কেউ এটাকে নকল বললে উদ্বিগ্ন হবেন না।

২০০০ টাকার নতুন নোট নোট চিনবেন কী করে ? 

সবার প্রথমে ২০০০ টাকার নোটটিকে আলোয় ফেলে সামনের দিকে তাঁকান। নোটটির কেন্দ্রে রয়েছে মহাত্মা গান্ধীর ছবি। টাকার অঙ্ক ২০০০ স্পষ্ট দেখতে পাবেন। ৪৫ ডিগ্রি কোণে ধরলে টাকার অঙ্ক ২০০০ টাকা দেখাবে। ২০০০ টাকার নোটেও রয়েছে দেবনগরী হরফে টাকার অঙ্ক। পাশাপাশি খেয়াল করলে দেখতে পাবেন মাইক্রো লেটারে লেখা রয়েছে RBI এবং ২০০০ টাকা। কালার বদলে যাওয়া সিকিউরিটি থ্রেডে নজর দিন এবার। সেখানে থাকবে RBI, BHARAT এবং ২০০০ টাকা।, গ্যারান্টি ক্লোজ, গভর্নরের সই, ঋণপত্রের স্বীকৃতি থাকবে। মহাত্মা গান্ধী এবং ইলেকট্রোটাইপ জলছবিতে ২০০০ দেখতে পাবেন। খেয়ালে রাখুন নম্বর প্যানেলও। যেখানে ছোট থেকে বড় হয়ে উঠবে নাম্বার। ডানদিকে থাকবে অশোক স্তম্ভের ছবি। এবার টাকার পিছনের দিকে ফেরা যাক। পিছনের পিঠে দেখতে পাবেন, কোন সালে ছাপা হয়েছে তা লেখা থাকবে। থাকবে মঙ্গলযানের ছবি। কেন্দ্রের কাছাকাছি বিভিন্ন ভাষায় লেখা থাকবে নোটটি। সেই সঙ্গে লেখা থাকবে স্বচ্ছ ভারত লোগো এবং স্লোগান।

২০০০ টাকার নোট বাজার থেকে প্রত্যাহার

পুজোর আগেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছিল, ক্লিন নোট পলিসির অধীনে বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে ২০০০ টাকার নোট। নতুন করে আর এই নোট ছাপা হবে না। বর্তমানে সাধারণ মানুষের কাছে যে ২০০০ টাকার নোট রয়েছে, সেগুলিও প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। এর জন্য নির্দিষ্ট সময়ও বেধে দিয়েছিল RBI। 

অ্য়াকিউরিসি লেভেল

তবে যেকথাই রটুক না কেন, সবসময় সরকারি বিজ্ঞপ্তিই নজরে রাখবেন। মনে রাখবেন রসায়নের গবেষকরা স্যাম্পেল টেস্টের (Sample Test) ক্ষেত্রেও কিন্তু একটা টেস্ট করেই খান্ত হন না, যে এবার বোধহয় বোঝা গিয়েছে প্রকৃত পদার্থটির নাম। রসায়নে মেল্টিং পয়েন্ট, কালার, বিক্রিয়ার ধরণ,সময় দেখে কী স্যাম্পেল তা বোঝা যায়। কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই একই তাপমাত্রায় দুটি ভিন্ন পদার্থ গলে গিয়ে থাকলে, তখন বোঝার উপায় কী ? আর সেইখানেই আসে অ্য়াকিউরিসি লেভেল। অর্থাৎ শুধু একটি বিষয় দিয়েই পরীক্ষা করে ‘ধরে ফেলেছি’ এমনটা নয়, বরং প্রত্যেকটি বিষয়ই যখন গ্রীণ সিগন্যাল দেবে তখনই সিলমোহর দেওয়া উচিত। রসায়নের সঙ্গে টাকার নকল নাকি আসল , এই বিষয় বেশ খাপ খায়, তাই এমন উদাহরণ টানা হল। তাই টাকার চেনার ক্ষেত্রে কোনও পয়েন্টই মিস করবেন না। 

 



Source

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *