Newsblows বাংলা

নিরপেক্ষ বাংলা খবর

স্থানীয

Misbehave with school teacher: ছুটি চাইতে গিয়ে শিক্ষিকার সঙ্গে দুর্ব্যবহার, হেড স্যারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে ছুটি চাইতে গিয়েছিলেন স্কুলেরই এক শিক্ষিকা। কিন্তু, ছুটি তো মেলেইনি উল্টে তাঁর সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করা হয়। এমনই অভিযোগ উঠেছে উত্তর ২৪ পরগণার বনগাঁর গড়াপোতা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন শিক্ষিকা। ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পঙ্কজ কুমার ব্যাপারির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক এবং অভিভাবকরা। এই ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেন শিক্ষক, অভিভাবক ও পড়ুয়ারা। 

আরও পড়ুন: ১ জন শিক্ষকেই টিমটিম চলছে মালদার স্কুল, স্যারের অভাবে ছাত্ররাই নিচ্ছে ক্লাস

জানা যাচ্ছে, কিছুদিন আগেই স্কুলের ইতিহাসে শিক্ষিকা রাখি মণ্ডল বিশ্বাস মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে ছুটি চাইতে প্রধান শিক্ষকের কাছে গিয়েছিলেন। ছুটির আবেদন জানিয়ে তাঁর কাছে দরখাস্ত জমা দিতে গিয়েছিলেন শিক্ষিকা। কিন্তু, সেই সময় বেজায় ক্ষেপে ওঠেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তিনি রাখির দরখাস্ত ছুড়ে ফেলে দেন। তারপর চিৎকার চেঁচামেচি করতে শুরু করেন। ঘটনায় চরম অপমান বোধ করে সেই সময় প্রধান শিক্ষকের ঘর থেকে বেরিয়ে টিচার্স রুমে চলে যান রাখি। তিনি অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তিনি এই দূর ব্যবহারের কথা জানান। তা শোনার পরে অন্যান্য শিক্ষকরাও ক্ষোভ ফেটে পড়েন। তখন তাঁরা সকলে মিলে তখন পঙ্কজ বাবুর ঘরে যান। কিন্তু, তাঁদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ।

এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষকরা একজোট হয়ে কর্মবিরতি করেন। তাঁদের অভিযোগ, কর্মস্থলেই তাঁরা নিরাপত্তা পাচ্ছেন না। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সকলের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন। এদিন শিক্ষকদের বিক্ষোভে সামিল হন অভিভাবকরাও। পরে পড়ুয়ারাও বিক্ষোভে যোগ দেয়। এর জেরে স্কুল চত্বরে উত্তেজনা তৈরি হয়। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছয় বনগাঁ থানার পুলিশ। বনগাঁ সার্কেলের স্কুল পরিদর্শকের কাছে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি শিক্ষিকা থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তিনি জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে শিক্ষিকা ছুটি নিয়েছিলেন। সেই কারণে তিনি ছুটি দিতে চাননি। তাছাড়া, দরখাস্ত ছুড়ে ফেলেননি। দুর্ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *