Newsblows বাংলা

নিরপেক্ষ বাংলা খবর

আবহাওয়া

Ranya Rao Case: হাওলায় টাকা পাঠাতেন রানিয়া রাও, সোনা পাচারের জাল কতদূর ছড়ানো? ডিআরআই-এর চাঞ্চল্যকর উদ্‌ঘাটনviral news a paper trail 27 dubai trips a smuggling web what dri has uncovered in ranya rao case


Last Updated:

Ranya Rao Case: তাঁকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে। তিনি স্বেচ্ছায় এই কাজ করেননি। সোনা পাচার মামলায় গ্রেফতারির পর এমনটাই বলেছিলেন কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাও। কিন্তু তদন্ত যত এগিয়েছে, উঠে এসেছে অন্য ছবি।

সোনা পাচারের জাল কতদূর ছড়ানো?
সোনা পাচারের জাল কতদূর ছড়ানো?

তাঁকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে। তিনি স্বেচ্ছায় এই কাজ করেননি। সোনা পাচার মামলায় গ্রেফতারির পর এমনটাই বলেছিলেন কন্নড় অভিনেত্রী রানিয়া রাও। কিন্তু তদন্ত যত এগিয়েছে, উঠে এসেছে অন্য ছবি। রাজস্ব গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরা একপ্রকার নিশ্চিত যে, রানিয়া দীর্ঘ দিন ধরে সোনা পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত।

ডিআরআই-এর সূত্র অনুযায়ী, দুবাইতে সোনার ব্যবসা শুরু করেছিলেন রানিয়া এবং তরুণ রাজ কোন্দ্রু। ভিরা ডায়মন্ডস ট্রেডিং নামে একটি কোম্পানি খোলেন তাঁরা। এই তরুণ তেলেগু অভিনেতা। কলেজ জীবন থেকেই একে অপরকে চিনতেন। ২০২৩ সালে রানিয়ার বিজনেস পার্টনার হন। ভিরা ডায়মন্ডসে তাঁদের সমান অংশীদারিত্ব রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ হার মানাবে এসি-কে! টেবিল ফ্যান থেকে গরম হাওয়ায় বেরোচ্ছে? এই পদ্ধতি মানুন, ঘর হবে বরফের মতো ঠান্ডা!

সোনা পাচার মামলায় দ্বিতীয় অভিযুক্ত তরুণ রাজ কোন্দ্রু ভিরা ডায়মন্ডসের ওয়ার্কিং পার্টনার। রানিয়ার হয়ে ব্যবসা চালাতেন। ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান হওয়ায় পারিবারিক যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ভিরা-এর ব্যবসা ছড়িয়ে দিতে অসুবিধা হয়নি তাঁর। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ব্যাঙ্কক ও জেনেভায় বেশ কিছু বড় ব্যবসায়ীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল রানিয়ার। তিনি মূলত দোহা ও জেনেভার পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সোনা কিনতেন। দুবাইয়ের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে বিদেশি মুদ্রায় পেমেন্ট করতেন।

সোনা পাচারের এই চক্র কতটা গভীর বুঝতে রানিয়াদের আন্তর্জাতিক লেনদেন ও শুল্ক ঘোষণা বিশ্লেষণ করে দেখছে রাজস্ব গোয়েন্দা দফতর। রানিয়ার বাবা রামচন্দ্র রাও কর্ণাটক পুলিশের ডিপার্টমেন্টাল জেনারেল (DGP) পদে কর্মরত। তাঁকেও ডিআরআই জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। সোনা পাচার মামলায় তাঁর নাম জড়িয়ে যাওয়ায় কর্ণাটক সরকার ইতিমধ্যে তাঁকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ স্পেস স্টেশনে এতদিন সুনীতা উইলিয়ামস কীভাবে করতেন টয়লেট? মলত্যাগ-প্রস্রাব কি নর্মালি করা যায় মহাকাশে

তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, প্রথমে দুবাইতে সোনা আমদানি করতেন রানিয়ারা। তারপর সেখানে বিনিয়োগ করতেন। সবার শেষে সেই সোনা ভারতে পাচার করতেন। Vira Diamonds Trading LLC মূলত দুবাইয়ে সোনা আমদানির সুবিধা নিচ্ছিল, কারণ সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে সোনার উপর কোনও আমদানি শুল্ক নেই। ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে তাঁরা জেনেভা ও ব্যাঙ্কক থেকে সোনা আনতে শুরু করেন। এর জন্য টাকা যোগাতেন রানিয়া। তিনি দুবাইয়ের রেসিডেন্স কার্ডও পেয়েছেন। ভিসা ছাড়াই সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ঘুরতে পারেন। তরুণের কাছে মার্কিন পাসপোর্ট রয়েছে। দুবাই কাস্টমসে তাঁর নামে সোনার চালান ক্লিয়ার করতেন রানিয়া। অভিনেত্রী হাওলা মারফত ভারত থেকে বিপুল টাকাও পাঠিয়েছিলেন দুবাইতে। তাঁর দাবি, তিনি দুবাইতে সোনা বিক্রি করেন, কিন্তু তদন্তে দেখা গিয়েছে, তিনি আসলে সোনা ভারতে পাচার করতেন।

বাংলা খবর/ খবর/দেশ/

Ranya Rao Case: হাওলায় টাকা পাঠাতেন রানিয়া রাও, সোনা পাচারের জাল কতদূর ছড়ানো? ডিআরআই-এর চাঞ্চল্যকর উদ্‌ঘাটন

Next Article

Wife Murders Husband: স্ত্রীর জন্মদিন, লন্ডন থেকে ফিরলেন স্বামী! খুন করে দেহ ১৫ টুকরো করল স্ত্রী এবং তার প্রেমিক



Source

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *